বাংলদেশের গাড়িতে ব্যবহার করে তেলের কথা জেনে নেই

(R+M)/2 method অনুযায়ী টয়োটার প্রায় সব গাড়িতেই ৮৭ লেভেল এর অকটেন required (not recommended)। যার অর্থ এইটা ব্যাবহার করতেই হবে।কিন্তু অতি দুঃখজনক হলেও সত্যি যে বাংলাদেশে এই লেভেল মাত্র ৮০ এবং অনেক ক্ষেত্রে এর অনেক নিচে। যেখানে আমার প্রতিবেশি সকল দেশেই এই লেভেল সর্বনিম্ন ৮৫।

যার দরুন আমাদের গাড়িতে যা সমস্যা হতে পারে-
১। Proper mixture and proper combustion কখনোই হয় না। ফলে গাড়ি প্রচুর পরিমানে ভাইব্রেশন করে। যার ফলে ইঞ্জিনে মেটাল টু মেটাল ফ্রিকশন বেড়ে ইঞ্জিনের মেয়াদ অনেক কমে যায়।
২।ইঞ্জিনের Knock Sensor অতি দ্রুত অকার্যকর হয়ে পরে।
৩।এই ইঞ্জিগুলোর ভাল্ভ এবং পিস্টন এ প্রচুর পরিমানে কার্বন জমে যায়। ফলে ইঞ্জিনের কর্মদক্ষতা অনেক কমে যায়। এছাড়া পিস্টন রিং আর ওয়াল ধীরে ধীরেঅকটেন লেভেল ক্ষয়প্রাপ্ত হতে থাকে।
৪। গাড়ির ফুয়েল ইকোনমি অনেকাংশে কমে যায়। কারণ গাড়ির এয়ার ফুয়েল রেশিও তে ভিন্নতা আসে।
৫। এইসব বাদ দেন ভাই। নিজের কথা ভাবেন। গাড়ি হতে যে কার্বন মনোক্সাইড থেকে শুরু করে অনেক টক্সিক গ্যাস এর এমিশন হয় তা শরীরের জন্য তো হুমকি। শ্বাসকষ্ট হতে শুরু করে নানাবিধ হার্ট এর সমস্যার কারণ। গাড়ির সংখ্যা ত আবার দিন দিন বেরেই চলেছে। আর এ হয় শুধুই প্রপার মিক্সচার না হওয়ার কারণে অর্থ্যাৎ বাজে ফুয়েল এর জন্য।
৬। সর্বশেষে গাড়ির এবং নিজেরে মেয়াদ কমে যায় কয়েক বছর।

আচ্ছা তাও বাদ দেন ভাই। একটা মজার কথা শুনবেন?
আমরা যে অকটেন কিনি তা বানাতে নাকি প্রতি লিটারে দাম পরে ৬০ টাকা(৮০ লেভেল এর অকটেন)। আর সেখানে বাইরে থেকে ৮৭,৮৯,৯১ লেভেল এর অকটেন আনতে খরচ পড়ে মাত্র ৪৫ টাকা। হিসাব করে দেখেন প্রতি লিটারে কত টাকা করে বাচে। গাড়ির মেয়াদ বাচে আর বাচে নিজেদের জীবন। আমার প্রশ্ন হল এখনও কেন এই পদক্ষেপ নেয়া হয় নি? গাড়ি সংখ্যা কি বাংলাদেশ এ কম? নাকি আমরা ট্যাক্স কম দিয়ে গাড়ি আনি,নাকি প্রতিবছর কোন ট্যাক্স দেই না?

লিখাটি আমাদের গ্রুপে শেয়ার করেছে Amio Rahman

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *