Dual Clutch Transmission

Dual Clutch Transmission কি?

Dual Clutch Transmission কি?

যারা রিসেন্ট হোন্ডা কিনেছেন তারা জানেন হোন্ডা এখন তাদের সব গাড়ীতে ব্যাবহার করছে DCT ট্রান্সমিশন । এই DCT নিয়ে অনেকেই জানতে চান এটা কিভাবে কাজ করে,এর সুবিধা কি। আপনাদের রিকোয়েস্টে আজকে লিখতে বসেছি DCT নিয়ে।

Dual Clutch Transmission বা DTC কে twin-clutch transmission বা double clutch transmission ও বলে। এটা অনেকটা ম্যানুয়াল ট্র্যান্সমিশন এর কাছাকাছি একটা ট্র্যান্সমিশন, DCT দুইটা আলাদা ক্লাচ ব্যাবহার করে গিয়ার শিফটিং এর জন্য। ধরতে পারেন দুইটা আলাদা ক্লাচ একই হাউজিং এ থেকে একটা ইউনিট হিসেবে কাজ করে। চাইলে আপনি এটাকে ফুল অটোমেটিক মুডে অথবা চাইলে আলাদা আলাদা ম্যানুয়ালি ও শিফট করতে পারেন। এটাই DTC এর সবথেকে বড় সুবিধা।

DCT তে দুইটা ক্লাচ থাকে, বড়টা শিফট করে জোড় গিয়ার গুলা আর আর ছোটটা শিফট করে বেজোড় গিয়ার গুলা। দুইটা ক্লাচ হলেও শিফটিং এর সময় কোন ধরনের টর্ক লস হয়না। যখনি একটা ক্লাচ থেকে টর্ক ট্রান্সমিট হবে তখন আরেকটা ক্লাচ থেকে এটা আলাদা হয়ে যাবে। একটা কথা বলা দরকার বর্তমানে DCT সবথকে বেশি ফাস্ট শিফট অফার করে যেটা একজন প্রফেশনাল রেস ড্রাইভারের ম্যানুয়াল ট্রান্সমিশন শিফট করা থেকেও ফাস্টার। এমনকি একটা সিঙ্গেল ক্লাচ অটোমেটিক বা ম্যানুয়াল ট্রান্সমিশন থেকও DCT অনেক ফাস্ট গিয়ার শিফট করতে পারে।

আগেই বলেছি DCT তে দুইটা আলাদা ক্লাচ থাকে, হয় দুইটা ওয়েট( ভেজা) মাল্টিপল ক্লাচ থাকবে অথবা দুইটা সিঙ্গেল প্লেট ড্রাই ( শুকনা) ক্লাচ থাকবে।
ওয়েট ক্লাচটা সাধারণত খুব হাই টর্ক ইঞ্জিন এ ব্যাবহার করা হয় যেগুলোর টর্ক ফিগার হয় 350 NM। Bugatti Veron এ ওরা ইউস করেছে এই ওয়েট টাইপ ক্লাচ যেটা প্রায় 1250 NM টর্ক অউটপুট দিত। আর ড্রাই ক্লাচ ডিজাইন করা হয়েছে ছোট্ট গাড়ীগুলোর জন্য যেগুলোর টর্ক আউটপুট 250 NM এর মতো।
যাহোক এই ড্রাই ক্লাচ এর একটা সুবিধা আছে, এটা ওয়েট ক্লাচ এর থেকে অনেক বেশি ফুয়েল সেভ করে।

সবশেষ যে ৫টি ভুল DCT তে করবেন না,
– অবশ্যই প্রতি ৩০,০০০ হাজার কিলো পর পর DCT ট্রান্সমিসন ফ্লুয়িড চেঞ্জ করবেন আর ভাল মানের DOT4 ওয়েল ব্যাবহার করবেন। যদি টাইম মত চেঞ্জ করতে ভুলে যান তাহলে পরবর্তী ৬০,০০০ কিলো তে গিয়ে গিয়ারবক্স নষ্ট হয়ে যাবে।

– যদি ম্যানুয়ালি প্যাডেল শিফট করেন তাহলে কখনোই ১ম গিয়ারে শিফট করবেন না। এর উপরের গিয়ারে থাকার করবেন সবসময়।

– DCT তে আপনি যদি ৫ সেকেন্ডের জন্য ব্রেক প্রেস করে থাকেন এটা আটোমেটিক নিউট্রাল মোডে চলে যাবে। আর যখন ব্রেক প্যাডেল রিলিজ করবেন দেখবেন কত স্মুথলি গাড়ি সামনে আগাবে।
– ট্রাফিকে সামান্য আগানোর জন্য বারবার ব্রেক প্রেস ব্রেক রিলিজ করলে আপনি জাস্ট কিছু এক্সট্রা প্রেশার দিবেন DTC এর উপর। তাই ট্রাফিক এ থাকলে গিয়ার লিভার টেনে বারবার N এ আনার দরকার নাই তাতে এক্সট্রা প্রেশার পড়বে।

টিপট্রনিক ট্রান্সমিশন কী

আশাকরি লিখাটা পড়ে আপনাদের হেল্প হয়েছে। DCT নিয়ে ভয় এর কিছু নেই রেগুলার মেনটেন করলে DCT কিচ্ছু হয়না। গাড়ি মেনটেন্স নিয়ে আরোও জানতে গাড়ি নিয়ে আড্ডা দিতে জয়েন হোন আমাদের অফিসিয়াল গ্রপে CarHub BD [ Official ]

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *